শূন্যস্থান পূরণ কর
১. বিন্দুসারের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র ______ সিংহাসনে আরোহণ করেন।
২. রাজ্যজয়ের বিনিময়ে _____ এবং _____ ।
৩. সম্রাট অশোক _______ শ্রমণের দেখলেন ______ দীক্ষা নেন।
৪. সম্রাট অশোক শাসনতন্ত্রে ______ ব্যবহার করে বিশ্বজয় করেছিলেন।
মিলকরণ
| বাম | ডান |
| ১. কলিঙ্গযুদ্ধের বিভীষিকা দেখে তিনি | ধর্মাশোক নামে খ্যাত হন |
| ২. মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন | অনুষ্ঠিত হয় |
| ৩. বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করার পর চন্ডাশোক | শাখাও প্রেরণ করেন |
| ৪. পাটলীপুত্রের অশোকারামে তৃতীয় সঙ্গীতি | বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন |
| ৫. সম্রাট অশোক শ্রীলঙ্কায় পবিত্র মহাবোধির | চন্দ্রগুপ্ত |
সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন
১. যুবরাজ অশোক কীভাবে শৌর্য বীর্যের পরিচয় দিয়েছিলেন?
২. ধর্মমহামাত্র নামের এক বিশেষ শ্রেণির রাজকর্মচারী কী কাজ করতেন?
৩. সম্রাট অশোক কীভাবে বিভিন্ন সম্প্রদায় ও ধর্মানুসারীদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
বর্ণনামূলক প্রশ্ন
১. সম্রাট অশোকের কলিঙ্গ বিজয় ও বৌদ্ধধর্ম গ্রহণের কাহিনি বর্ণনা কর।
২. বৌদ্ধধর্ম প্রচার প্রসারে সম্রাট অশোক কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন লেখ।
৩. অন্যান্য ধর্মের প্রতি সম্রাট অশোকের মনোভাব কী ছিল বর্ণনা কর।
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
১. সম্রাট অশোকের পিতার নাম কী?
ক. চন্দ্রগুপ্ত
খ. বিন্দুসার
গ. গোপালচন্দ্র
ঘ. বিম্বিসার
২. সম্রাট অশোক কত হাজার চৈত্য বা স্তম্ভ নির্মাণ করেন?
ক. ৮০,০০০
খ. ৮১,০০০
গ. ৮২,০০০
ঘ. ৮৪,০০০
৩. নিগ্রোধ শ্রমণ সম্রাট অশোকের কে হন?
ক. ভ্রাতুষ্পুত্র
খ. কনিষ্ঠ্য পুত্র
গ. শিষ্য
ঘ. ভ্রাতা
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং ৪ ও ৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও
রাজা ধর্মপাল ধর্মবিদ্বেষী ছিলেন না। তিনি সকল ধর্মের ও মতের অনুসারীদের নিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন।
৪. রাজা ধর্মপালের সাথে নিচের কোন শাসকের মিল পাওয়া যায়?
ক. রাজা বিম্বিসার
খ. সম্রাট কণিষ্ক
গ. সম্রাট অশোক
ঘ. রাজা মহাকশ্যপ
৫. উক্ত শাসকের ধর্মীয় মতের সঙ্গে রাজা ধর্মপালের অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পিছনে নিহিত ছিল-
i. সাম্রাজ্যের সুদৃঢ়তা প্রতিষ্ঠা
ii. সকল ধর্মানুসারীর মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা
iii. প্রচুর ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান করা।
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii
খ. ii ও iii
গ. i ও iii
ঘ. i, ii ও iii
সৃজনশীল প্রশ্ন
১. রাজা জনবম এক সাহসী ও নির্দয় শাসক ছিলেন। তিনি নিজের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে এবং নতুন রাজ্য জয় করতে গিয়ে সেখানে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেন। অবসরে তিনি যখন সেই হত্যাকান্ডের কথা ভাবতে লাগলেন ঠিক তখনই এক সন্ন্যাসীকে দেখে তার সাথে কথা বললেন। সন্ন্যাসীর কথা শুনে রাজার মধ্যে ধর্মের প্রতি অনুরাগ সৃষ্টি হলো। অতঃপর ধর্মীয় বাণী প্রচারের জন্য তিনি রাজ্যের সর্বত্র উক্ত বাণী লিখে প্রজাদের মধ্যে ধর্ম চেতনা উৎপন্ন করলেন। এর পর থেকে রাজা জনবম রাজ্য জয়ের চেয়ে ধর্ম প্রচারের প্রতি বেশি মনোযোগী হলেন এবং মনে করলেন রাজ্য জয়ের চেয়ে ধর্ম প্রচার অতি শ্রেষ্ঠ কর্ম।
ক. মগধ বর্তমানে ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
খ. 'অপ্রমাদ অমৃত লাভের পথ আর প্রমাদ মৃত্যুর পথ' ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত রাজা জনবমের কর্মকান্ডে বৌদ্ধধর্মের কোন রাজার সঙ্গে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. 'রাজ্য জয়ের চেয়ে ধর্ম প্রচার অতি শ্রেষ্ঠ কর্ম'-রাজা জনবমের বক্তব্যটির সঙ্গে তুমি কী একমত? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
২. বিনয় বড়ুয়া নিজ অর্থ ব্যয়ে অনাথ-অসহায়দের ভরণ-পোষণ ও ধর্ম শিক্ষার জন্য একটি আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। বিনামূল্যে ও বিনা পরিশ্রমে আহার এবং অন্যান্য সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার জন্য অনেক ভন্ড ব্যক্তি পরিচয় গোপন করে আশ্রমে যোগ দিলেন। একপর্যায়ে ভণ্ড ব্যক্তিরা অনাথ-অসহায়দের ওপর নির্মম নির্যাতন চালাতেন। এতে আশ্রমে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে বিনয় বাবু প্রকৃত সত্য নির্ণয় করে ভন্ডদের বের করে দেন। ফলে আশ্রমটি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পেল।
ক. সম্রাট অশোক কার কাছে বৌদ্ধধর্মে দীক্ষিত হন?
খ. সম্রাট অশোক 'চণ্ডাশোক' থেকে 'ধর্মাশোকে' কীভাবে পরিণত হলেন?
গ. বিনয় বড়ুয়ার কাজের সাথে সম্রাট অশোকের কোন ঘটনার সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে-ব্যাখ্যা কর।
ঘ. আশ্রম রক্ষায় বিনয় বড়ুয়ার কাজটি সম্রাট অশোকের কার্যাবলির প্রতিচ্ছবি-উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।
Read more